
আপনার ইনফ্রারেড হিটারকে সত্যিই “স্মার্ট” করে তোলা যায়।
কি, আপনি কি লক্ষ্য করেছেন যে ঐতিহ্যবাহী হিটারগুলো যেন অপেক্ষা করার খেলা খেলছে? আপনি এগুলো চালু করেন, আর তারপর শুধুমাত্র অপেক্ষা করেন। বাতাস উষ্ণ হওয়ার জন্য, ভেন্টগুলো কাজ করার জন্য… আর ঠান্ডা অনুভূতি দূর হওয়ার জন্য।
কিন্তু ইনফ্রারেড হিটারগুলো ভিন্ন। এগুলো বাতাস নিয়ে চিন্তা করে না; বরং সরাসরি আপনাকে ও আপনার আসবাবপত্রকে উষ্ণ করে। যখন এগুলোকে স্মার্ট হোম সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করা হয়, তখন কোনো বিলম্ব থাকে না। আপনি একটি বোতাম চাপলেই তৎক্ষণাৎ উষ্ণতা অনুভব করতে পারেন। এটা ঘরের অনুভূতিকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়।
কেন এটা এত দ্রুত কাজ করে?
এই ধরনের হিটারগুলোতে সাধারণত স্বল্প বা মাঝারি-তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ইমিটার ব্যবহৃত হয়। এটাকে একটি লাইট সুইচের মতো ভাবুন। কিন্তু বয়লারকে পানি গরম করে পাইপের মাধ্যমে পাঠাতে সময় লাগে। কিন্তু ইনফ্রারেড ইমিটারগুলো তৎক্ষণাৎ কাজ শুরু করে।
যদি আপনি জিগবি বা ম্যাটার কন্ট্রোলার ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি ফোন বা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে এগুলো চালু করতে পারেন। এটা যেন শীত থেকে বসন্তে যাওয়ার মতোই।
আপনার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামগুলো
এখানেই সাধারণত মানুষ ভুল করে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সস্তা স্মার্ট প্লাগ ব্যবহার করবেন না।
ইনফ্রারেড হিটারগুলো অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি আপনি সাধারণ প্লাস্টিকের প্লাগ ব্যবহার করেন, তাহলে হিটারটি কাজ করতে পারবে না। আপনার উচিত উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কন্টাক্টর বা ডেডিকেটেড স্মার্ট ব্রেকার ব্যবহার করা। অর্থাৎ, আপনার সিস্টেমটি এমন হওয়া উচিত যেখানে স্মার্ট সফটওয়্যার একটি ছোট সিগন্যাল পাঠায়, আর সেটা ভার সামলাতে পারে।
বাস্তবতা
স্মার্ট টেকনোলজি দারুণ, কিন্তু এটা পদার্থবিজ্ঞানকে ঠকাতে পারে না।
ইনফ্রারেড হিটারগুলো “লাইন-অফ-সাইট” পদ্ধতিতে কাজ করে। যদি আপনি ইমিটারের ঠিক সামনে বড় আকারের সোফা রাখেন, তাহলে সোফাটি পুড়ে যাবে, আর আপনি ঠান্ডায় থাকবেন। আপনাকে হিটারগুলো কোথায় রাখবেন সে বিষয়ে সাবধান হতে হবে।
আর আরেকটি বিষয় – বিদ্যুৎ চাপ নিয়েও সাবধান থাকুন। যদি আপনি একই মুহূর্তে পাঁচটি ২০০০ ওয়াটের হিটার চালু করেন, তাহলে আপনার সার্কিট ব্রেকার কাজ করবে না। আপনার ইলেকট্রিক্যাল প্যানেলটি এই ধরনের চাপ সামলাতে সক্ষম কিনা তা নিশ্চিত করুন। নইলে আপনি অন্ধকারেই সময় কাটাবেন।